মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার যদি সত্যিই জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাস করে, তবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায় অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। ওই গণভোটে মানুষ ৮৪টি ঐকমত্যের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সুকৌশলে জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাব এড়ানোর জন্য বিএনপি মৌলিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিজেদের ভিন্নমতকে কাজে লাগাচ্ছে। তারা সংসদে জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব এনেছে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মচারীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। অথচ জুলাই আন্দোলনের মূল সুফলভোগী (বেনিফিশিয়ারি) তো বিএনপিই, তারাই এখন ক্ষমতায় এসেছে। এই আন্দোলন না হলে তারা কি এমপি-মন্ত্রী হতে বা সরকার গঠন করতে পারত? এমপি-মন্ত্রীদের বেতন তো বাকি নেই, তাহলে ফাউন্ডেশনের কর্মচারীদের বেতন কেন বাকি থাকবে? জুলাইয়ের আহত ব্যক্তিরা কেন চিকিৎসার টাকা পাচ্ছেন না, কেন তাঁদের ভাতা বন্ধ হয়ে গেল, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। এ ছাড়া আন্দোলনে শহীদের সংখ্যা জাতিসংঘের উল্লেখ করা সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে দাবি করে সরকারকে দায়িত্ব নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।

