মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ‘ভিসা গাইড’ ও ‘জাস্ট থট এডুকেশন কনসালট্যান্ট’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে চার মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিদেশে পাঠানোর আশ্বাস দেয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তারা কাউকেই বিদেশে পাঠায়নি।
প্রতিষ্ঠান দুটি বিভিন্ন সময়ে ৯২ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোট ৮ কোটি ৩৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষার্থীরা পরে খোঁজ নিতে গেলে তাঁদের স্টুডেন্ট ও ফ্যামিলি ভিসা প্রসেসিংয়ের নানা আশ্বাস দিয়ে ঘোরানো হতে থাকে। একপর্যায়ে টাকা ফেরত না দিয়ে তারা পুরো অর্থ আত্মসাৎ করেন।
৮ জুলাই ভুক্তভোগীদের পক্ষে আল-আমিন বাদী হয়ে ভাটারা থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী এইচ এম রুহুল আমিন মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের প্রতারণার কারণে অনেক শিক্ষার্থীর বিদেশে গিয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেছে। শিক্ষার্থীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ দিলেও তাঁদের বিদেশে পাঠানো হয়নি, এমনকি টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি।
Reporter Name 















