তালেবান এই প্রক্রিয়াকে সরকারি ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। তাদের জারি করা এক আদেশে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলোর ২০ শতাংশ সদস্যকে রিজার্ভে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে যেভাবে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি জনবল ছাঁটাই করা হয়েছে, তাতে সরকারি ব্যাখ্যা যা–ই হোক না কেন, এই পদক্ষেপের রাজনৈতিক তাৎপর্য স্পষ্ট।
এ ধরনের ব্যবস্থা স্বল্পমেয়াদে আনুগত্য নিশ্চিত করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্রের সংহতিকে দুর্বল করে। দায়িত্ব থেকে অপসারিত কমান্ডার ও যোদ্ধাদের হাতে অস্ত্র ব্যবহারের দক্ষতা, স্থানীয় যোগাযোগ ও ক্ষোভ—সবই থেকে যায়। যেসব জাতিগোষ্ঠী দেখছে তাদের নিজস্ব কমান্ডারদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং স্থানীয় সম্পদের নিয়ন্ত্রণ অন্যত্র চলে যাচ্ছে, তারা অপরাধীগোষ্ঠী কিংবা উগ্রপন্থী সংগঠনের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে।
গভীরতর হচ্ছে জাতিগত বিভাজন
ঝুঁকির বিষয়টি এই নয় যে উপেক্ষার শিকার তাজিক, উজবেক বা হাজারারা অস্ত্র হাতে বিদ্রোহে নামবেন। বরং বড় উদ্বেগ হলো তালেবান নিজেই সেই প্রণোদনাগুলো ধ্বংস করছে, যেগুলোর কারণে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নেটওয়ার্ক এত দিন তাদের জোটের ভেতরে ছিল। তালেবানের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও দেশবিরোধী শক্তিগুলো নিয়ে সাম্প্রতিক বিশ্লেষণগুলোতেও এই ঝুঁকির বিষয়টি ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
জাতিগত ভারসাম্যহীনতাকে যখন নিরাপত্তা ও সম্পদ নিয়ন্ত্রণের একটি কাঠামোয় রূপ দেওয়া হচ্ছে, তখন কান্দাহারকেন্দ্রিক ক্ষমতার আধিপত্যই সেই বিভক্তিকে আরও গভীর করছে। অথচ এই বিভাজনের অবসান চেয়েছিল তালেবান।
এশিয়া টাইমস থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনূদিত
Reporter Name 













